হোসেনপুরে ভাষা শহীদদের প্রতি “এমপি সৈয়দা লিপির” ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন 


admin প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২৪, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন /
হোসেনপুরে ভাষা শহীদদের প্রতি “এমপি সৈয়দা লিপির” ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন 
শাহজাহান সাজু, (নিজস্ব) প্রতিবেদক:
রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ১৯৫২ সালে যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পেয়েছিল মাতৃভাষার অধিকার, একুশের প্রথম প্রহরে সেই সব ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপ। একুশে ফেব্রুয়ারি ১২.৩০ মিনিটে হোসেনপুর উপজেলা পরিষদে স্থাপিত কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। নানা আয়োাজনে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরের জনতা বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে শহীদদের স্মরণ করছেন।রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের এই দিনে বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ,তারই ধারাবাহিকতায় অর্জিত হয় স্বাধীনতা। বাঙালির এই আত্মত্যাগের দিনটি এখন রাষ্ট্রীয় সীমানার গন্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বে। বাঙালির ভাষার সংগ্রামের একুশ এখন বিশ্বের সব ভাষাভাষীর অধিকার রক্ষার দিন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলে পাকিস্থানি শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে। এরপর বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয় তৎকালীন পাকিস্থানি শাসকগোষ্ঠী। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর এক ঘোষণায় ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। অমর একুশের অবিনাশী চেতনাই আমাদের যুগিয়েছে স্বাধিকার, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অফুরন্ত প্রেরণা ও অসীম সাহস। ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা পথ বেয়েই অর্জিত হয় মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি এবং এরই ধারাবাহিকতায় আসে বাঙালির চিরকাঙ্খিত স্বাধীনতা, যার নেতৃত্ব দিয়েছেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনকালে সকল পর্যায়ের দলীয় নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।